ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

রোহিঙ্গা ঢলের নয় বছর পূর্তি, মিয়ানমারে ফেরানো যায়নি কাউকে

ভোরের মালঞ্চ | অনলাইন ড্রেস্ক আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১০:৩৬ এএম রোহিঙ্গা ঢলের নয় বছর পূর্তি, মিয়ানমারে ফেরানো যায়নি কাউকে

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘাত, জান্তা সরকারের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার নয় বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। তবে এই দীর্ঘ সময়ে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশ। এমনকি কবে নাগাদ প্রত্যাবাসন শুরু হবে, তাও এখনও অজানা নীতিনির্ধারকদের কাছে।

 

আপাতত, সংকট সমাধানে চীনের ওপর আস্থা রাখতে চায় বাংলাদেশ। ভূরাজনৈতিক কৌশলগত অবস্থান কাজে লাগিয়ে ঢাকা-বেইজিং-নেপিদো ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথ খুলতে পারে, এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের এই সংকটকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনায় ধরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। মিয়ানমারের রাখাইনে সামরিক অভিযান ও সহিংসতার মুখে প্রাণভয়ে সীমান্ত পেরিয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা। এরপর সংকট সমাধানে একের পর এক উদ্যোগ নেয় ঢাকা। প্রথমে মিয়ানমারের সঙ্গে সই হয় দ্বিপক্ষীয় অ্যারেঞ্জমেন্ট। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা নিয়েও দেখা দেয় নানা জটিলতা—আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) নাকি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর), তা নিয়েও ছিল মতভেদ।

 

তবে ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে ঢাকা-বেইজিং-নেইপিদোর ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সংকট সমাধানে নতুন আশার সঞ্চার হলেও, শেষ পর্যন্ত বাস্তবে প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি।

 

Side banner