স্বীকৃত ব্যাটার না থাকায় দ্রুত রান তোলায় মনযোগ দিয়েছিল পাকিস্তানের টেলএন্ড। চা বিরতির পর সাজিদ খান ১২ ও খুররম শাহজাদ ১০ রান নিয়ে নেমেছিলেন। শাহজাদ আর কোনো রান করতে না পারলেও ২৮ বলে টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলেছেন সাজিদ। ৪ ছক্কা ও ২ চারে তিনি করেছেন ৩৮ রান। শেষ ব্যাটার হিসেবে তিনি যখন নাহিদ রানার তৃতীয় শিকার হয়ে তানজিদ তামিমকে ক্যাচ দেন, তখন পাকিস্তানের রান ২৩২। বাংলাদেশের লিড ৪৬ রানের।
হাসান আলীও ১৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনিংস খেলে দিয়ে যান। চা বিরতির আগে তাইজুল ইসলামকে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে নাহিদ রানার হাতে ধরা পড়েন তিনি। মোহাম্মদ রিজওয়ান আউট হন দলীয় ১৭৪ রানে। রিজওয়ান-বাবরসহ এই সেশনে প্রথম সেশনের মতো বাংলাদেশ ৪টি উইকেট পায়।
পাকিস্তানের ইনিংসটি দাঁড়িয়ে বাবর আজমের ওপর। ফিফটি পূর্ণ করে সেঞ্চুরির দিকে ছুটছিলেন। ব্যক্তিগত ৬৮ রানে হন নাহিদ রানার শিকার। এ নিয়ে টেস্টে ৩ বার নাহিদের শিকার হলেন তিনি। আর সালমান আগা করেন ২১।
প্রথম সেশনে বাংলাদেশ আঘাত হানতে শুরু করে দিনের দ্বিতীয় ওভার থেকে। নিজের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদ তুলে নেন আবদুল্লাহ ফজলের উইকেট। ওভার দ্য উইকেট থেকে তাসকিনের ব্যাক অব লেন্থের ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ফজল। ঝুঁকে পড়ে ক্যাচ নেন লিটন কুমার দাস।
পরের উইকেট পেতে টাইগারদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। দিনের চতুর্থ ওভারে তাসকিন ফের বল হাতে নিয়ে ফেরান আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান আজান আইওয়াসকে। পাকিস্তান শিবিরে পরের আঘাতটি হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৭তম ওভারে প্রথম বল হাতে নিয়েছিলেন তিনি। দুই বলের মধ্যেই পান উইকেটের দেখা। পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ চালিয়ে খেলেছিলেন। শর্ট কভারে একটু নিচু হয়ে ক্যাচ লুফে নেন সাব ফিল্ডার নাঈম হাসান। পরের উইকেটটিও নেন মিরাজ। সৌদ শাকিল উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লিটন দাসকে।











-20260325061750.jpg)
-20260325061639.jpg)
-20260325061534.jpg)
-20260325061347.jpg)
-20260325061054.jpg)
-20260325060839.jpg)

-20260316055325.jpg)
-20260316055213.jpg)
আপনার মতামত লিখুন :