ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
হামলার আশঙ্কায় খামিস মুশাইত-আবহা শহরে সতর্কতা জারি

সৌদি সিভিল ডিফেন্সের

ভোরের মালঞ্চ | অনলাইন ড্রেস্ক সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ০১:১৬ পিএম সৌদি সিভিল ডিফেন্সের

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুটি এলাকায় সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে সতর্কতা জারি করে পরে তা প্রত্যাহার করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স। গত কয়েক ঘণ্টায়, খামিস মুশাইত ও আবহা এলাকায় এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সতর্কতা জারি করা হলো।

 

জনসাধারণকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হলেও পরে সতর্কতাগুলো প্রত্যাহার করে নেয় কর্তৃপক্ষ।

 

 

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ একটি তেল পাইপলাইন কয়েক দিনের মধ্যে সচল করা না গেলে দেশটির রফতানি তেলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে দৈনিক প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ।

 

সৌদি তেল ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, পাইপলাইনটি দ্রুত চালু করা 'না' গেলে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের সংকট আরও তীব্র হতে পারে। এরই মধ্যে জ্বালানির দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডের সুদহার ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।

 

 

 

পাইপলাইনটি মেরামতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ধারণা রয়েছে। একজন সূত্র জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। 

 

তবে অন্য আরেকজন সূত্রের দাবি, এর চেয়ে দ্রুত মেরামত শেষ করা সম্ভব এবং কাজ চলাকালীনও সীমিত পরিসরে পাইপলাইন দিয়ে তেল সরবরাহ চালু করা যেতে পারে।

 

 

এ বিষয়ে সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

 

গত ছয় মাস ধরে, আরব উপদ্বীপের মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাওয়া এই পাইপলাইনটি সৌদি আরবকে হরমুজ প্রণালির যুদ্ধকালীন অচলাবস্থার বড় ধরনের প্রভাব থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে।

 

 

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রফতানিকারক সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠিয়েছে। এই পরিমাণ বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ।

 

 

 

 

Side banner

আর্ন্তজাতিক বিভাগের আরো খবর