ঢাকা শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং

ভোরের মালঞ্চ | অনলাইন ডেস্ক আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম গ্রামে সরবরাহ বাড়াতেই রাজধানীতে লোডশেডিং

গ্রামে ভোগান্তি ও জন অসন্তোষ রুখতে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে বেশ কয়েকদিন ধরেই লোডশেডিং ফিরেছে রাজধানীতে। বর্তমানে ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। দিন-রাতে এলাকাভেদে বিদ্যুৎ থাকছে না ২ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত।

 

 

গ্রামে ভোগান্তি ও জন অসন্তোষ রুখতে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে বেশ কয়েকদিন ধরেই লোডশেডিং ফিরেছে রাজধানীতে। বর্তমানে ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। দিন-রাতে এলাকাভেদে বিদ্যুৎ থাকছে না ২ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত।

 

১০ আগস্ট দেশের ইতিহাসে রেকর্ড লোডশেডিং হয় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এছাড়া গরমে নিয়মিত ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। এর বেশির ভাগই যায় গ্রামের গ্রাহকের ওপর। প্রান্তিক এসব মানুষকে ১০ থেকে ১২ এমনকি ১৪ ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়। সরকারের নীতির সমালোচনা করে ভোক্তা সংগঠনও।

 

অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিতে গ্রামের গ্রাহকদের ক্ষোভ বাড়ে। অনেকে চড়াও হয় পল্লীবিদ্যুৎ কর্মীদের ওপর। পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চায় একযোগে ৮০টি সমিতি। এরপরই নড়েচড়ে বসে সরকার। সিদ্ধান্ত হয় ঢাকাসহ বড় শহরে লোডশেডিং ভাগ করে দেওয়ার। গত ১৫ দিন ধরে ঢাকায় এলাকাভেদে দৈনিক ২ থেকে ৫ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে।  

 

বর্তমানে সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াট। এখনো লোডশেডিং হচ্ছে ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত। বুধবার ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয় ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট। পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড বলছে, লোডশেডিং এখন সকল বিতরণ সংস্থায় ভাগ হচ্ছে। তাই গ্রামে কমেছে ভোগান্তি। 

Side banner