কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক ইব্রাহিম খানের (২৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের দুদিন পর শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া সৈকতে ভেসে ওঠে তার মরদেহ।
ইব্রাহিম ঢাকার কুড়িল এলাকার বাসিন্দা। তিনি জেডকেপি নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তার সঙ্গে সাগরে ডুবে নিখোঁজ হওয়া মো. ইয়াসিন খান (২৫) সম্পর্কে চাচাতো ভাই। ইয়াসিনও একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীদের সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে ইব্রাহিম ও ইয়াসিনসহ পাঁচজন কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকত এলাকায় গোসল করতে নামেন। এ সময় বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় ইব্রাহিম ও ইয়াসিন সাগরে ভেসে যান। পরে সি-সেফ লাইফগার্ডের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ইয়াসিনকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ইব্রাহিম নিখোঁজ ছিলেন।
নিখোঁজের পর থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধারে সাগরে তল্লাশি চালিয়ে আসছিলেন লাইফগার্ড কর্মীরা। শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে মহেশখালীর সোনাদিয়া সৈকতে জোয়ারের পানিতে একটি মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে মহেশখালী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
সি-সেফ লাইফগার্ডের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, নিখোঁজের পর থেকেই ইব্রাহিমের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। শুক্রবার সকালে সোনাদিয়া সৈকতে জোয়ারের পানিতে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, ইব্রাহিমের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
গত ২২ ও ২৪ আগস্ট প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ভ্রমণে অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে কক্সবাজারে আসেন ইব্রাহিম ও ইয়াসিন। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

















-20260828115158.jpg)






















আপনার মতামত লিখুন :