ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুধু নীতি তৈরিই নয়,

শহরবাসী কতটা উপকৃত হচ্ছে সেই মূল্যায়ন প্রয়োজন

ভোরের মালঞ্চ | আনলাইন ডেস্ক জুন ৬, ২০২৬, ১০:২৪ পিএম শহরবাসী কতটা উপকৃত হচ্ছে সেই মূল্যায়ন প্রয়োজন

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়েজিত ‘দক্ষিণের জানালা’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

 

ঢাকাকে বাসযোগ্য শহর মনে হয় না মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে ঢোকাই যায় না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। সেই প্রতিষ্ঠানকে যদি সামনের দিকে আনতে না পারি তাহলে সব স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।’

 

 

তিনি বলেন, ‘আমি যখন কলেজে পড়তাম, তখন প্রায়ই আসতাম বুড়িগঙ্গাতে, নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াতে। এখন সেই বুড়িগঙ্গার কাছেও যাওয়া যায় না। এত দূষণ, এত দুর্গন্ধ। আমার কাছে মনে হয় যে ঢাকা শহরের সব রোগগুলোর মূলে বোধয় এই বুড়িগঙ্গার পানি।’

 

 

শীতলক্ষ্যায়ও একই অবস্থা শুরু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে ঢাকা শহরের নাগরিকরা যাবেন কোথায়। এজন্য কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোকে আরো পরিকল্পনা মাফিক হতে হবে। পরিকল্পনা সঠিক নিতে হবে।’

 

 

ঢাকা শহরের পানি খুব ভয়াবহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পানির বিরাট অংশ রয়েছে, যেটা সেবনযোগ্য নয়। কোনোদিন দুর্ঘটনা ঘটলে অর্থাৎ ভূমিকম্প হয়, তাহলে ঢাকা তলিয়ে যাবে। আমাদের সেই ব্যবস্থাগুলো তো করতে হবে ঢাকা শহরে। নদীগুলোকে বিশুদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। অথচ এত প্রজেক্ট হয় এই বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করবার কোনো প্রকল্প তৈরি হয় না।’

 

 

 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মানুষ বেড়েছে, নগরায়ণ বেড়েছে, ফলে সবকিছু বাড়বে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে কিছু হয় না। ড্রেনেজ নেই বললেই চলে। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে ড্রেন তৈরি করা হয়, সেই ড্রেনে পানি সরে না।’

 

 

ঢাকা দক্ষিণের জানালাকে একটি আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করে পুরোপুরি না হলেও কাছাকাছি পরিবর্তনে সরকারের চেষ্টা থাকবে বলেও জানান তিনি।

Side banner