ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
কিশোর অপরাধ দমনে রাতে তিন জেলায়

পুলিশের অভিযান, আটক ১০২৯

ভোরের মালঞ্চ | অনলাইন ডেস্ক সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ১১:২৯ এএম পুলিশের অভিযান, আটক ১০২৯

চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা কিশোর অপরাধ দমনে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিন জেলায় আটক করা হয়েছে ১ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে কুমিল্লায় ৪১৫ জন, চাঁদপুরে ৩৭০ জন ও লক্ষ্মীপুরে ২৪৪ জন। তবে মুচলেকা দিয়ে বেশিরভাগকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

জানা গেছে, কুমিল্লায় তৃতীয় দফায় কিশোর অপরাধবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উঠতি বয়সী কিশোরদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অংশ নেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে, পূর্বের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে জেলায় তিন দিনে ১৩শ মানুষকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ২৮১ জনকে বিভিন্ন অপরাধসংশ্লিষ্টতায় জেলে পাঠানো হয়। ৫৯১ জনকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

 

এদিকে, চাঁদপুরে কিশোর অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে ৩৭০ জনকে। রোববার রাতে জেলার ৮টি থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে চাঁদপুর সদরে ৩৫ জন, হাইমচরে ৪৮, ফরিদগঞ্জে ৪১, হাজীগঞ্জে ৩৭, কচুয়ায় ৬২, শাহরাস্তিতে ৪৫, মতলব উত্তরে ৫২ ও মতলব দক্ষিণে ৩৬ জনকে আটক করা হয়।

 

 

 

এছাড়াও, ডিবি পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১৪ জনকে আটক করে। পরে, ৩৫৫ জনের মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকিদের তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, কিশোর গ্যাং ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৪৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে, জেলার ৬টি থানায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অভিযানে সদর থানায় ৪২ জন, চন্দ্রগঞ্জ থানায় ২১ জন, রায়পুর থানায় ৪৪ জন, রামগঞ্জ থানায় ৩৭ জন, রামগতি থানায় ৪৪ জন ও কমলনগর থানায় ৫৬ জনকে আটক করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

মূলত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমে কুমিল্লায় অভিযান শুরু করে প্রশাসন। 

 

 

Side banner