বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে শিক্ষাকেই অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
চীন সরকারের আমন্ত্রণে সফররত মাহদী আমিন গুয়াংঝুতে অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।
মাহদী আমিন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ ও চীনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল, যা পরে বেগম খালেদা জিয়ার মেয়াদে আরও সুদৃঢ় হয়। বর্তমান সরকারও চীনের সঙ্গে এই কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
আরও ৩৮ এজেন্সিকে হজ কার্যক্রমের অনুমতি দিলো সরকার
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনা। সে লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি তরুণদের আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে এগিয়ে রাখতে মান্দারিনসহ (চীনা ভাষা) তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাকে সার্বজনীন ও কর্মমুখী করার জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, চীনের শীর্ষস্থানীয় পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ এবং আধুনিক ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় বাড়ানো এবং চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিবিড় সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ দাউদ মিয়াসহ চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠান থেকে ‘চীন-বাংলাদেশ শিল্প ও শিক্ষা একীকরণ আন্তর্জাতিক সেবা কেন্দ্র’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।

















-20260826093708.jpg)






















আপনার মতামত লিখুন :