বাড়ির ছাদে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে প্রথমে হত্যা করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। এরপর ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও দুই সন্তানকেও হত্যা করা হয়। তবে এরইমধ্যে অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে মাদক সেবন করছিল দুই যুবক। এ ঘটনায় বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। বিষয়টি যেন জানাজানি না হয় এবং হত্যাকারীদের যাতে কেউ শনাক্ত করতে না পারে। সেজন্য বাড়ির অন্যদেরও খুন করে অপরাধীরা।








































আপনার মতামত লিখুন :