ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ৩ সম্ভাব্য পরিণতি

তুলে ধরলেন ট্রেজারি সেক্রেটারি

ভোরের মালঞ্চ | অনলাইন ডেস্ক সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম তুলে ধরলেন ট্রেজারি সেক্রেটারি

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান কঠোর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবরোধের পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট তিনটি কৌশলগত লক্ষ্য ও সম্ভাব্য পরিণতি তুলে ধরেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী (ট্রেজারি সেক্রেটারি) স্কট বেসেন্ট। 

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই রূপরেখা তুলে ধরেন। 

 

 

সাক্ষাৎকারে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বাস্তব প্রভাব তুলে ধরে বেসেন্ট দাবি করেন, ইরানের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের বেশি আন্তর্জাতিক বহির্গামী ফ্লাইট ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি জাতিসংঘে আসা ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কীভাবে দেশে ফিরে যাবেন, তা-ও অনিশ্চিত।

 

অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ও সাগরে তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার খবরের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, বেশিরভাগ ট্যাংকার এখনও স্বাভাবিকভাবেই চলাচল করছে। 

 

 

 

ইরানকে সহায়তাকারী বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মার্কিন ট্রেজারি প্রধান বলেন, আমরা প্রতি দিন এবং প্রতি সপ্তাহে আপনাদের কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করব।

 

ইরানের ওপর এই বহুমুখী সর্বাত্মক চাপের চূড়ান্ত ভবিষ্যৎ ও কৌশলগত লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে স্কট বেসেন্ট বলেন, এখানে আমাদের মূল লক্ষ্য বিশ্বের সামনে তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির যেকোনো একটি তৈরি করা।

 

প্রথমত, অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপে তেহরানের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর নিজেদের মধ্যেই পারস্পরিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও ভাঙন সৃষ্টি হওয়া। দ্বিতীয়ত, তীব্র সংকটের মুখে ইরানের সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত গণঅভ্যুত্থান বা বিদ্রোহ দেখা দেওয়া। তৃতীয়ত, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত সংঘাত পরিহার করে কোনো নতুন সমঝোতা বা চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে সেই চুক্তির প্রতিটি শর্ত মানতে তাদের পুরোপুরি বাধ্য করা।

 

 

Side banner

আর্ন্তজাতিক বিভাগের আরো খবর